সংবাদ শিরোনাম :
মিরকাদিমে ওয়াকফা সম্পত্তি দখলের আশঙ্কা, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি মুন্সীগঞ্জে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে টঙ্গীবাড়ীতে স্বজনপ্রীতি করে আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দের অভিযোগ। মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেলেন মহাসিন খাঁন বাবু মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শামীম ওসমান ভূঁইয়াকে দেখতে চান স্থানীয়রা টঙ্গিবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কামারখাড়াকে মডেল ইউনিয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল মোল্লা ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক কেয়ারের স্বত্বাধিকারী ও নারী উদ্যোক্তা জেসমিন জুলিয়া এসএসসি-৯৬ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় রক্ষা
গজারিয়ায় বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ঢালে সবজি চাষ।

গজারিয়ায় বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ঢালে সবজি চাষ।

গজারিয়া ( মুন্সীগঞ্জ)  প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আঞ্চলিক রাস্তার পাশের ঢালে ও পতিত জমিতে শাক-সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। এতে পরিবারের সবজির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এ উদ্যোগে আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন।

এতে যেমন অনাবাদি জমির ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে, তেমনি অতিরিক্ত উৎপাদন সবজি বিক্রির টাকা সংসারে আয়ের উৎস বাড়তি সুবিধা হচ্ছে। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেমন বালুয়াকান্দি, ভবেরচর, বাউশিয়া ও গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের প্রায় কাঁচা ও পাকা সড়কের দুই পাশের ঢালুতে শীতকালীন শাক-সবজির চাষ হয়েছে। বিশেষ করে বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের বড় রায়পাড়া আড়ালিয়া এলাকা, বড় রায়পাড়া থেকে মুদারকান্দি সড়ক, ভবেরচর ইউনিয়নের পৈকৈরপাড় এবং গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের কদমতলী এলাকায় সড়ক সংলগ্ন পতিত জমিতে শিম, বেগুন, পুঁইশাক, টমেটো, লাউসহ নানা জাতের মৌসুমি সবজির আবাদ চোখে পড়ার মতো।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, রাস্তার পাশের এসব জমি সাধারণত ঢালু হওয়ায় পানি জমে থাকে না। ফলে অল্প পরিচর্যাতেই সারা বছর সবজি চাষ করা সম্ভব হয়। এসব জমি থেকে উৎপাদিত সবজি দিয়ে প্রথমে পরিবারের প্রয়োজন মেটানো যাচ্ছে এবং অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় হচ্ছে।

একাধিক কৃষক বলেন, বর্তমানে বাজারে শাক-সবজির দাম ভালো থাকায় খুব কম খরচে চাষ করেও প্রতিটি পরিবার মৌসুমভেদে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আয় করতে পারছে। এতে তাদের জীবনযাত্রার মানেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে সবজি উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের এক টুকরো জমিও যেন অনাবাদি না থাকে—সে বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কৃষাণ-কৃষাণীদের।

গজারিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল আরাফাত বিন সিদ্দিক বলেন, “দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে শাক-সবজির উৎপাদন বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

সে লক্ষ্যে আমরা কৃষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিনামূল্যে সবজির বীজ বিতরণ করছি। গজারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পাশের পতিত জমিতে সবজি চাষ করে কৃষকেরা নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি সবজি বাজারে বিক্রি করে ভালো আয় করছেন—এটি কৃষি ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দৃষ্টান্ত বলে মনে হচ্ছে । 

 

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!